



জি আমাদের মধু ১০০% প্রসেস বিহীন ‘র মধু। আমাদের মধুকে যদি কেউ প্রমান করতে পারে মধুতে ভেজাল আছে, তাহলে তাকে ৫ কেজি মধুর দাম দিয়ে দেওয়া হবে।
জি আমাদের মধু, নিজস্ব মোয়ালদের দ্বারা মধু আহোরন করা হয়। আমাদের মধু আহোরন করার জন্য সরকারি পাস আছে। আর সরকারি পাস ছাড়া সুন্দরবন থেকে মধু আহোরন করা যায় না।
সুন্দরবনের খাঁটি মধুর চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো , এই মধু ঘনত্ব দেখে। এই মধুর ঘনত্ব অনেকটা পাতলা। তারপর এই মধু ঝাকালে উপরের দিকে ফেনা হবে। এই মধু কিছুদিন পর বোতলে রাখার পর উপরের দিকে এক ধরনের আবরন অথবা স্তর তৈরি হবে, যেটা কিনা ফুলের পোলেন।
এই ফুলগুলোর নেকটার (nectar) পানি-ঘন (high moisture) ও low sugar concentration যুক্ত হয়, কারণ ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের আর্দ্রতা (humidity) বেশি থাকে।
তাই এই ফুল থেকে সংগৃহীত মধু প্রাকৃতিকভাবেই পাতলা।
না, সুন্দরবনের খাঁটি মধু কখনোই ফ্রিজে রাখলে জমে যাবে না। যদি জমে যায় তাহলে মধুতে ভেজাল দেওয়া থাকে। তবে মধু ফ্রিজে না রেখেই খাওয়া ভালো। কারন মধু ফ্রিজে রাখলে মধুর যে প্রাকৃতিক গুনাগুন থাকে সেই গুনাগুন নষ্ট হয়ে যায়। তখন মধুর শুধু আসলে স্বাদ ই থাকে , মধুর কোন গুনাগুন থাকে না।